Bangla

Folksonomy / Natural Language Tagging

Folksonomy কী?
Folksonomy শব্দটা আমাদের অনেকের মধ্যেই একদম নতুন মনে হতে পারে, তবে আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকী তারা কোন-না-কোন ভাবে এই শব্দটার ব্যবহার করে থাকি। Folksonomy শব্দটার জনক হলেন Thomas Vander Wal (২০০৪ সালে), যেটি মূলত “folk” এবং ‘taxonomy’ শব্দ দুুটির সমন্বয়ে উৎপত্তি লাভ করেছে। এটি মূলত এক ধরনের Natural Language Tagging process বা এক ধরনের শেণীকরন পদ্ধতি। যেখানে একজন ব্যাক্তি ওয়েবে সংরক্ষিত ডেটা, ইনফরমেশন, ডিজিটাল ডকুমেন্ট, এমনকী ডিজিটাল লাইব্রেরীতে সংরক্ষিত পাঠ্য পুস্তকগুলোকে তাদের নিজের ভাষাতে ট্যাগ করে রাখতে পারেন, যাতে পরবর্তিতে অন্য ব্যাবহারকারীরা সহজেই তাদের ডকুমেন্টগুলো খুজে পেতে পারেন।
Folksonomy শব্দটা আমদের কাছে বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন Social Tagging, Natural Language Tagging, Collaborative Tagging etc. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল Folksonomy-তে ব্যবহৃত Tag-গুুলে selection-এর সময় কোন controlled vocabulary থেকে help নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনা, এমনকী কোন  thesarus থেকেও term selection-এর প্রয়োজন পড়েনা।
এখন আসি Folksonomy বা Natural Language Tagging কীভাবে আমাদের ডকুমেন্ট সার্চিং প্রকৃৃয়াকে সহজ করতে পারে:
উদাহরন ১:
মনে করুন আপনি Facebook ব্যাবহার করার সময় একটা Photo আপলোড করলেন, যেকানে আপনার বেশ কয়েকজন বন্ধুুর ছবি আছে এবং তাদের প্রত্যেককে ট্যাগ করলেন তাদের নাম দিয়ে। এতে করে ছবিতে কে কে আছেন তাদের প্রত্যেককে আলাদা করে চেনা যাবে, এবং একই ভাবে তাদের নামের ট্যাগে যদি আপনি মাউস পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করেন তবে সরাসরি আপনি তাদের প্রোফাইলে চলে যেতে পারবেন। একটা বিষয় মনে রাখুুন আপনি যে আপনার বন্ধুুকে ট্যাগ করলেন তা কিন্তু আপনার নিজের ভাষায়, controlled vocabulary-থেকে নেওয়া কোন শব্দ নয়। এইটাও Folksonomy ব্যাবহারের একটা দিক।

 

উদাহরন ২:
এবার আমি আপনাদের দেখাব ওয়েবে সংরক্ষিত তথ্যকে সহজে খুুজে বের করার ক্ষেত্র্রে Folksonomy/Natural language tagging কিভাবে আমাদের সাহায্য করতে পারে।
মনে করুন :
আপনার সামনের রাস্তায় দুটি গাড়ির একটি ফটো দেখলেন। একটি কালো আর একটি সাদা কালারের। এবার এটিকে ট্যাগ করলেন বিভিন্ন নামে, যেমন, Car, White Car, Black Car, Tree, Road, ইত্যাদি নামে। এখন যদি কোন ব্যাবহাকারী এসব ট্যাগে ক্লিক করেন, তবে ঐ ডেটাবেসে সংরক্ষিত যতগুলো আইটেমে এসব ট্যাগ ব্যাবহার করা হয়েছে তার সবগুলো আইটেম ব্যাবহারকারীর সামনে চলে আসবে।

এবার আসি Folksonomy / Natural Language Tagging কিভাবে একটি ডিজিটাল লাইব্রেরী তথ্য এবং বই খুজে পেতে সাহায্য করে:

আমরা
আগেই জেনেছি, Folksonomy মূলত এক ধরনের Natural Language Tagging, যেখানে
একজন ব্যবহারকারী তার পছন্দ মত ট্যাগ ব্যাবহার করতে পারেন, যাতে পরবর্ততে
অন্য ব্যাবহারকারীরা সহজেই তার ট্যাগকৃত ডকুমেন্ট বা তথ্যগুলো সহজেই অন্য
ব্যবহারকারীরা খুজে পান। বর্তমানে ডিজিটাল লাইব্রেরীতে যত সফটওয়্যার
ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে বাংলাদেশে Koha Integrated Library Management
Software সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। Koha সফটওয়ারের একটি বিশেষ দিক হল,
আপনার লাইব্রেরীতে সংরক্ষীত ডকুমেন্ট, ইনফরমেশন, ডিজিটাল বই, ই-বুক-এর সাথে
আপনার পছন্দ মত ট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে ঐ সমস্থ ট্যাগ অন্য যে
সমস্থ ডকুমেন্টের সাথে যুক্ত আছে, তার সবগুলো ব্যবহারকারীর সামনে খুজে বের
করে আনে। এটা হতে পারে Author name, Type of material, Subject name,
ইত্যাদি।

আসা করছি এবার Folksonomy সম্পর্কে আপনার ধারনা কিছুুটা হলেও গভির হয়েছে।

অনুুগ্রহ করে আপনার কিছুু সময় ব্যায় করে নিচের লিংকে প্রদত্ত গবেষণা পত্র্রের কিছুু প্রশ্নের উত্তর প্রদান করুন। Please Click this link: https://docs.google.com/forms/d/1KPK9G5MBvKd-K2DF1BZU0PYypljw4qUHL_jiwsSHaL4/viewform
Tags

Admin

Declaration: Articles shared in this blog are collected from different sources available on the internet to help students of Library and Information Science. Sources are mentioned in the reference section of the article. If you have any objections about the content of this blog, feel free to contact the site admin at media24xnew@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close